![]() |
| আপনার পেছনের |
এইযে শুনুন (মেঘা)
> জী, আমাকে বলছেন? (আমি)
> না, আপনার পেছনের তালগাছটাকে
বলছি
> ওহ, তাহলে যাই
> ওই দাড়ান
> জী, বলুন
> কই যান?
> জী, আমাকে বলছেন? (আমি)
> না, আপনার পেছনের তালগাছটাকে
বলছি
> ওহ, তাহলে যাই
> ওই দাড়ান
> জী, বলুন
> কই যান?
> বাসায়, আপনাদের কথার মধ্যে
থেকে আমি কি করবো?
> ফাজলামো হচ্ছে?
> আমি কি করলাম? আপনিই তো
বললেন তালগাছ কে বলছেন
> তালগাছ তবু আপনার চেয়ে ভাল
> ওহ, আচ্ছা একটা কথা বলবো?
> রোজই তো বলেন কিছু বলবেন, কিন্তু
বলেন না ৷ কলেজের টাইম হয়ে
যাচ্ছে, যা বলার জলদি বলেন
> তাহলে থাক, আরেকদিন বলবো
> ধুর ছাই, গেলাম আমি ৷ আপনার বলা
লাগবে না
রাগে গজ গজ করতে করতে চলে গেল
মেঘা…
:
আমি প্রিতম, তালগাছের মতই কিছু
একটা ৷ আর ওই যে মেয়েটা গেল,
পাশের গ্রামের ৷ নাম মেঘা,
কলেজে পড়ে ৷ বৈশাখী মেলায় প্রথম
দেখেছিলাম ওকে ৷ প্রথম দেখায় ভাল
লেগে যায় ৷ তিন মাস ধরে রোজ
ভাললাগার কথাটা বলবো বলে ওর
কলেজ যাওয়ার পথে দাড়িয়ে থাকি
৷ কিন্তু বলা হয়ে ওঠে না ৷ আয়নার
সামনে দাড়িয়ে করা কঠোর
প্রাকটিস ওর সামনে আসলেই হাওয়া
হয়ে যায় ৷ মেয়েটাও মনোহয় বুঝতে
পারে ৷ তাই এখন আমি না ডাকলেও
নিজেই এসে কথা বলে ৷
হটাৎ কিছুদিন ধরেই দেখা পাচ্ছি না
৷ প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল, কোন
খোজ নেই ৷ বাড়িটাও চিনিনা, কি
করবো বুঝতে পারছি না ৷ রোজ গিয়ে
অপেক্ষা করি, আজ নিশ্চই আসবে ৷
কিন্তু আসে না ৷ মনের ভেতরটা কেমন
যেন খালি খালি মনেহতে লাগলো ৷
১১ দিনের মাথায় আসলো ৷ মেঘা
আসছে, অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি
আমি ৷ এ যেন আগের সেই মেঘা না ৷
মুখটা কেমন যেন শুকনো, হাটছে তা
মনেহচ্ছে এখনি মুখ থুবড়ে পড়বে ৷
কাছে আসতেই ডাক দিলাম,
> মেঘা
> হুম (কন্ঠটা কেমন যেন করুণ)
> কেমন আছ? (প্রথম তুমি করে বললাম)
> ভাল
> কি হয়েছে তোমার
> কিছু না, একটু জ্বর ছিল এইকদিন
> এখনো আছে?
> অল্প
> তাহলে বের হলে কেন, আগে সুস্থ হও
৷ কলেজ তো আর চলে যাচ্ছে না
> অসুস্থ থাকা সত্বেও কেন কলেজ
যাচ্ছি আমি?
> কেন?
> জানেন না?
> না তো
> গাধা চেনেন?
> হুম, কেন বলতো?
> আমিও চিনলাম
> মানে?
আর কিছু না বলেই চলে গেল ৷ কি
বোঝাতে চাইলো মেঘা ৷ ও কি
আমার জন্যই এসেছিল?
না, আজ বলতেই হবে ৷ যে করেই হোক…
:
> একি আজ ছুটির টাইমে আবার
আসলেন যে? (মেঘা)
> যাইনি তো (আমি)
> মানে? সারাদিন এখানেই
দাড়িয়ে ছিলেন?
> হুম
> দুপুরে খাননি?
> (কিছু বললাম না)
> কেন?
> তোমায় কিছু বলার ছিল
> তার জন্যে সারাদিন দাড়িয়ে
থাকার কি দরকার?
> আসলে তুমি কখন ফেরো জানিনা
তো তাই
> হইছে, এখন বাড়ি যান ৷ খাওয়া-
দাওয়া করে একঘন্টা পর এখানে
আসবেন, আমিও আসব ৷ যা বলার তখন
বইলেন
> আচ্ছা
:
একঘন্টার আগেই গিয়ে হাজির হলাম ৷
একটু পরে মেঘা আসলো ৷ সন্ধ্যা হয়ে
আসছে ৷ রাস্তায় লোকজনও প্রায় নেই ৷
মেঘা এসেই একটু ধমকের সুরে বলল,
> তোমার কি মাথার সমস্যা?
তুমি করে বলছে শুনে সাহস যেন একটু
বাড়লো ৷ বললাম,
> না তো, কেন?
> তাহলে আজ এমন করলে কেন, কালকে
বলতে পারতে
> কেন জানোনা?
> না বললে জানবো কিভাবে?
> বলা লাগবে?
> হুম
> বলবো তো
> কি?
> ভালবাসি
> কাকে? (লাজুক স্বরে বলল)
> সামনে দাড়ানো এই পরী টাকে
হটাৎ রাস্তার মধ্যেই আমায় জড়িয়ে
ধরলো মেঘা ৷ আমি একটু এদিক ওদিক
তাকিয়ে নিলাম ৷ নাহ, কেউ নেই ৷
তারপর আমিও শক্ত করে জড়িয়ে
ধরলাম……..
এমন হা করে কি দেখছেন? চোখ বন্ধ
করেন, আমার পরীর লজ্জা লাগবে
তো
থেকে আমি কি করবো?
> ফাজলামো হচ্ছে?
> আমি কি করলাম? আপনিই তো
বললেন তালগাছ কে বলছেন
> তালগাছ তবু আপনার চেয়ে ভাল
> ওহ, আচ্ছা একটা কথা বলবো?
> রোজই তো বলেন কিছু বলবেন, কিন্তু
বলেন না ৷ কলেজের টাইম হয়ে
যাচ্ছে, যা বলার জলদি বলেন
> তাহলে থাক, আরেকদিন বলবো
> ধুর ছাই, গেলাম আমি ৷ আপনার বলা
লাগবে না
রাগে গজ গজ করতে করতে চলে গেল
মেঘা…
:
আমি প্রিতম, তালগাছের মতই কিছু
একটা ৷ আর ওই যে মেয়েটা গেল,
পাশের গ্রামের ৷ নাম মেঘা,
কলেজে পড়ে ৷ বৈশাখী মেলায় প্রথম
দেখেছিলাম ওকে ৷ প্রথম দেখায় ভাল
লেগে যায় ৷ তিন মাস ধরে রোজ
ভাললাগার কথাটা বলবো বলে ওর
কলেজ যাওয়ার পথে দাড়িয়ে থাকি
৷ কিন্তু বলা হয়ে ওঠে না ৷ আয়নার
সামনে দাড়িয়ে করা কঠোর
প্রাকটিস ওর সামনে আসলেই হাওয়া
হয়ে যায় ৷ মেয়েটাও মনোহয় বুঝতে
পারে ৷ তাই এখন আমি না ডাকলেও
নিজেই এসে কথা বলে ৷
হটাৎ কিছুদিন ধরেই দেখা পাচ্ছি না
৷ প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল, কোন
খোজ নেই ৷ বাড়িটাও চিনিনা, কি
করবো বুঝতে পারছি না ৷ রোজ গিয়ে
অপেক্ষা করি, আজ নিশ্চই আসবে ৷
কিন্তু আসে না ৷ মনের ভেতরটা কেমন
যেন খালি খালি মনেহতে লাগলো ৷
১১ দিনের মাথায় আসলো ৷ মেঘা
আসছে, অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি
আমি ৷ এ যেন আগের সেই মেঘা না ৷
মুখটা কেমন যেন শুকনো, হাটছে তা
মনেহচ্ছে এখনি মুখ থুবড়ে পড়বে ৷
কাছে আসতেই ডাক দিলাম,
> মেঘা
> হুম (কন্ঠটা কেমন যেন করুণ)
> কেমন আছ? (প্রথম তুমি করে বললাম)
> ভাল
> কি হয়েছে তোমার
> কিছু না, একটু জ্বর ছিল এইকদিন
> এখনো আছে?
> অল্প
> তাহলে বের হলে কেন, আগে সুস্থ হও
৷ কলেজ তো আর চলে যাচ্ছে না
> অসুস্থ থাকা সত্বেও কেন কলেজ
যাচ্ছি আমি?
> কেন?
> জানেন না?
> না তো
> গাধা চেনেন?
> হুম, কেন বলতো?
> আমিও চিনলাম
> মানে?
আর কিছু না বলেই চলে গেল ৷ কি
বোঝাতে চাইলো মেঘা ৷ ও কি
আমার জন্যই এসেছিল?
না, আজ বলতেই হবে ৷ যে করেই হোক…
:
> একি আজ ছুটির টাইমে আবার
আসলেন যে? (মেঘা)
> যাইনি তো (আমি)
> মানে? সারাদিন এখানেই
দাড়িয়ে ছিলেন?
> হুম
> দুপুরে খাননি?
> (কিছু বললাম না)
> কেন?
> তোমায় কিছু বলার ছিল
> তার জন্যে সারাদিন দাড়িয়ে
থাকার কি দরকার?
> আসলে তুমি কখন ফেরো জানিনা
তো তাই
> হইছে, এখন বাড়ি যান ৷ খাওয়া-
দাওয়া করে একঘন্টা পর এখানে
আসবেন, আমিও আসব ৷ যা বলার তখন
বইলেন
> আচ্ছা
:
একঘন্টার আগেই গিয়ে হাজির হলাম ৷
একটু পরে মেঘা আসলো ৷ সন্ধ্যা হয়ে
আসছে ৷ রাস্তায় লোকজনও প্রায় নেই ৷
মেঘা এসেই একটু ধমকের সুরে বলল,
> তোমার কি মাথার সমস্যা?
তুমি করে বলছে শুনে সাহস যেন একটু
বাড়লো ৷ বললাম,
> না তো, কেন?
> তাহলে আজ এমন করলে কেন, কালকে
বলতে পারতে
> কেন জানোনা?
> না বললে জানবো কিভাবে?
> বলা লাগবে?
> হুম
> বলবো তো
> কি?
> ভালবাসি
> কাকে? (লাজুক স্বরে বলল)
> সামনে দাড়ানো এই পরী টাকে
হটাৎ রাস্তার মধ্যেই আমায় জড়িয়ে
ধরলো মেঘা ৷ আমি একটু এদিক ওদিক
তাকিয়ে নিলাম ৷ নাহ, কেউ নেই ৷
তারপর আমিও শক্ত করে জড়িয়ে
ধরলাম……..
এমন হা করে কি দেখছেন? চোখ বন্ধ
করেন, আমার পরীর লজ্জা লাগবে
তো

0 Comments