![]() |
| কি আবার হবে |
রিয়া: এই জাহিদ,, কি হচ্ছে এটা হুম ,,,,
জাহিদ: কি আবার হবে আমি আমার কিউট পেত্নী টাকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াতে এই বাসে করে দূর্গাপুর যাচ্ছি,,,
রিয়া: হাতটা সরাও প্লিজ ,,, তুমি কেনো এরকম করছো
জাহিদ: কি আবার হবে আমি আমার কিউট পেত্নী টাকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াতে এই বাসে করে দূর্গাপুর যাচ্ছি,,,
রিয়া: হাতটা সরাও প্লিজ ,,, তুমি কেনো এরকম করছো
,,,,,,
জাহিদ: কি করছি আমি তো আমার পেত্নিটাকে আদর করছি,,,
রিয়া: আমার এসব একদম ভালো লাগে না, বিয়ের আগে এসব ঠিক না,,,,
জাহিদ: ধেত পাগলী ,,,কিছু হবে না বলেই
রিয়ার পিঠে হাত বুলাতে লাগলাম,,,,,,,
রিয়া: প্লীজ জাহিদ কেনো এমন করছো,,, আমরা বিয়ের পর না হয় সব করবো ,,,,,,,,,
জাহিদ: শোনো আমার সব বন্ধুরা রুমডেট করছে, আমিই এক মাএ অভাগা যে এখনো তার প্রিয় মানুষটার হাত ধরতে পারি নাই,, আজকে তুমি টাচ করতে দিবা নয়তো ব্রেকআপ,,,,,,,
রিয়া: এই এটা বলতে পারলা,, আচ্ছা আমার ভালোবাসা কে রক্ষার জন্য আমি সব করতে পারি,,,,,
জাহিদ: হুম ,, বলেই রিয়ার ব্লাউজ এর পিছনের একটা পিন খুললো ,,,,
রিয়া: তুমি প্লীজ ভেবে দেখো,,আরেকটিবার (কাদো কাদো কন্ঠে )
জাহিদ: কোনো ভাবাভাবির দরকার নেই বলেই ব্রার হুকটা খুলতে যাচ্ছে ,,,,,,,
রিয়া: আচ্ছা খালি কি ফিজিক্যাল রিলেশনের নামি ভালোবাসা,, তুমি কি আমার ব্রা এর মধ্যে সব সুখ খুজে পাও,,, কেনো হাত ধরাধরি করে বসে থাকা,, তোমার কাধে মাথা রাখা,,, কপালে একটা ছোট্ট করে ভালোবাসার পরশ দেয়ার নাম কি রিলেশন না,, আই এম সরি জাহিদ,, ভালো থেকো (কথাগুলি বলেই রিয়া পিছনের সিট থেকে উঠে এসে সামনে দাড়িয়ে আছে আর কাদছে,, ওর কাছে সবটা ক্লিয়ার কেনো আজ জাহিদ বাইক না নিয়ে বাসে করে যেতে চাইছে আর কেনই এই পিছনে সিট নিয়েছে,, রিয়া অঝোরে কেদে চলেছে,,,, কিছুক্ষন পর
আরে আরে এসব পাগল কে গাড়ি তে তুলছেন কেনো,,, উৎসব জনতার মুখে আমি দেখলাম একটা লোক উসকোখুসকো চুল, ময়লা ছেড়া জামা পড়ে গাড়িতে উঠেছে,, লোকটা বলার ট্রাই করছে লোকটা পাগল না ,,, কে শুনে কার কথা কেউ বুঝতে চাইছে না,,, অতঃ পর আমি লোকঠা কে আমার পাশের সিটে এনে বসালাম,, মুলত আমার কাজ হচ্ছে রিয়া কে দেখানো আর ওকে আরোও কষ্ট দেয়া ,,,,,,
তারপর আমি তাকে বললাম তা কথাবার্তার ধরন দেখে তো শিক্ষিত মনে হচ্ছে তা এতদিন কোথায় ছিলেন ,,মনে হচ্ছে কোনো এক জেল ফেরত আসামি ,,,,
লোকটি: আপনি কি করে বুঝলেন এটা ,,,,,
জাহিদ:তার মানে আপনি সত্যই জেল ফেরত আসামি ,,, এই দূরে সরে বসেন,,,, হে আল্লাহ আজকে কি খালি অশুভই হবে আমার সাথে,,,,
লোকটা : ওকে যাচ্ছি,,,
(তারপর লোকটা একটু দূরে গিয়ে রিয়ার সাথে দাড়ালো,, ও দেখলো রিয়া কাদছে এখনো,_তখন লোকটা রিয়া কে বললো)
লোকটি: আপনি চাইলে ওই পিছনের সিটটাতে যেতে পারৈন মা জননী,,,,
রিয়া: নো থেংক্স,, ওর সাথে বসার চেয়ে দাড়িয়ে থাকা ভালো,, ওর কাছে বসা মানে নিজেকে একজন পতিতা বানানো (কেদে কেদে)
লোকটি: ওহহ আচ্ছা বুঝেছি ,, তাহলে শক্ত করে ধরে রাখুন,, আর কান্নাটা থামান, লোকে খারাপ ভাবছে,,,,,
রিয়া: (চুপচাপ)
লোকটি: এই যে ভাইয়া একঠা সিগারেট হবে,,,
জাহিদ: আপনি আবার আসছেন,,, যান তো ভালো লাগছে না,,,
লোকটি:একটা গল্প শুনবেন ,,,,
জাহিদ: নাছোরবান্দা তো আপনি ,,, ওকে বলতে থাকেন, আল্লাহ কি পাগলের পাল্লায় পরলাম,,,,
লোকটি: সিগারেট টা দিলেন নাতো,,,
জাহিদ: হুম এই যে নেন ,,,,,,
লোকটি: ঐ যে মেয়ে টা দাড়িয়ে আছে ওইটা কে ভাই,,,,,
জাহিদ: আমার গফ ,, রাগ করছে, তাই ওইখানে গেছে,,,,
লোকটি: ওহহ কি কারনে রাগ করছে,,,,
জাহিদ: এই এতো প্রশ্ন করছেন কেনো, কি গল্প বলবেন বলেন,,,,
লোকটি: হুম শুনন তাহলে
আমার নাম রাফি,, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ কমপ্লিট করেছি ,,,, যখন আমি বিবিএ কম্প্লিট করলাম,, তখন সবাই বলল আমাকে বিসিএস দিতে,, কারন মার্কস ভালো ছিলো আমার ,,, তাই বিসিএস প্রিলিমিনারি ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হয়,ঢাকায়,,, আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল,,, তাই এখানে এক দুরসম্পরকের মামার বাসায় থেকে বিসিএস এর জন্য ট্রেনিং করছি,, মামার এক মেয়ে এক,ছেলে ,,, ছেলেটার নাম আবিদ, মেয়ে টার নাম সুমি ,,,,(কাদতে লাগলো),,,,,,,,
জাহিদ: হে ভাই কাদছেন কেনো, পরের অংশ টা বলুন,,, আর আগে আপনাকে পাগল বলার জন্য সরি ,,,,,,,,,
রাফি: ইট্স ওকে ,, তারপর আমি যখন ওদের বাসায় থাকতাম আমার সব খেয়াল সুমিই রাখতো ,,, খুব ভালো ছিল মেয়ে টা জানো ,,আচ্ছা তোমাকে ডিটেইলস এ বলি না হলে তুমি বুঝবে না ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
7 years ago,,,,,
সুমি: এই যে রাফি ভাইয়া আপনার চা,,,,
রাফি: থেংক্সূ সুমি,,, আচ্ছা তুমি আমার এতো কেয়ার করো কেনো,,,
সুমি: সময় হলেই বলবো, চা টা খান তো আজকে ট্রেনিং এ আমি আপনাকে ড্রপ করবো বুজেছেন,,,,,
রাফি: আররে আমি তো রিক্সা করেই যেতে পারবো,,,
এমন সময় সুমির আব্বু এসে প্রবেশ করলো ,,,,,,,,,,,,,,,,
মামা: তা বাবা এখানে তোমার কিছু সমসসা হচ্ছে না তো ,,,,,
রাফি: এমা না মামা আমার কোনো সমস্যা হচ্ছে না ,, আমি দিব্যি ঠিক আছি ,,,,,,,
মামা: হুম ,, আজ থেকে তুমি এখানেই থাকবে ,,, তবে বাবা তোমার কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে ,,,
রাফি:জী আংকেল বলেন ,,,,
মামা: মা সুমি আমার জন্য এক গ্লাস পানি আনতো উপর থেকে ,,,,
সুমি: হ্যা বাবা আমি এক্ষুণি আনছি ,, তোমরা গল্প করো আমি এনে দিচ্ছি ,,,,
**এতক্ষণ সুমি আমাদের কথাগুলো দাড়িয়ে শুনছিলো ,ও তখন পানি আনতে উপরে চলে গেলো **
মামা: হ্যা বাবা যেটা বলছিলাম ,, আজকাল বিশ্বাসি মানুষের বড্ড অভাব , আমার একটা চা বাগান আছে ওইটাতে যদি তুমি দেখভাল করতে তাহলে খুব ভালো হতো, অবশ্য যদি তোমার আপত্তি না থাকে,,,,,,,
রাফি: না মামা এখানে এসে সব কিছু ফিরে পেয়েছি ,যার কিছু ছিলো না তাকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছেন,, মাথা গোজার ঠাই দিয়েছেন ꫰ আপনাদের জন্য এটুকু না করতে পারলে আমি নিজেই নিজের কাছে অপরাধী থাকবো,,,,,,
মামা: ছিঃ ছিঃ বাবা এভাবে বলে না , ওহহ আর একটি কথা সুমি ছেলে মানুষ ও যদি কখনো কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয় ,, আশা করি তুমি ওকে প্রশ্রয় দিবে না ,,,,,
রাফি: জী মামা নিশ্চই ,,,,
মামা: দেখো বাবা তুমি বুদ্ধিমান ছেলে আমি তোমাকে কি বুঝাতে চেয়েছি তুমি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছো,, আশা করি তুমি আমার বিশ্বাসের অমর্যাদা করবে না ,,,
রাফি: হুম মামা ,,,,,
মামা: ওকে এখন একটু ঘুমাও ,, বিকালে না হয় একটু চা বাগান থেকে ঘুড়ে আসবো আমরা ,,,,,,
রাফি জী আসসালামুলাইকুম ,,,,,,,
জাহিদ: কি করছি আমি তো আমার পেত্নিটাকে আদর করছি,,,
রিয়া: আমার এসব একদম ভালো লাগে না, বিয়ের আগে এসব ঠিক না,,,,
জাহিদ: ধেত পাগলী ,,,কিছু হবে না বলেই
রিয়ার পিঠে হাত বুলাতে লাগলাম,,,,,,,
রিয়া: প্লীজ জাহিদ কেনো এমন করছো,,, আমরা বিয়ের পর না হয় সব করবো ,,,,,,,,,
জাহিদ: শোনো আমার সব বন্ধুরা রুমডেট করছে, আমিই এক মাএ অভাগা যে এখনো তার প্রিয় মানুষটার হাত ধরতে পারি নাই,, আজকে তুমি টাচ করতে দিবা নয়তো ব্রেকআপ,,,,,,,
রিয়া: এই এটা বলতে পারলা,, আচ্ছা আমার ভালোবাসা কে রক্ষার জন্য আমি সব করতে পারি,,,,,
জাহিদ: হুম ,, বলেই রিয়ার ব্লাউজ এর পিছনের একটা পিন খুললো ,,,,
রিয়া: তুমি প্লীজ ভেবে দেখো,,আরেকটিবার (কাদো কাদো কন্ঠে )
জাহিদ: কোনো ভাবাভাবির দরকার নেই বলেই ব্রার হুকটা খুলতে যাচ্ছে ,,,,,,,
রিয়া: আচ্ছা খালি কি ফিজিক্যাল রিলেশনের নামি ভালোবাসা,, তুমি কি আমার ব্রা এর মধ্যে সব সুখ খুজে পাও,,, কেনো হাত ধরাধরি করে বসে থাকা,, তোমার কাধে মাথা রাখা,,, কপালে একটা ছোট্ট করে ভালোবাসার পরশ দেয়ার নাম কি রিলেশন না,, আই এম সরি জাহিদ,, ভালো থেকো (কথাগুলি বলেই রিয়া পিছনের সিট থেকে উঠে এসে সামনে দাড়িয়ে আছে আর কাদছে,, ওর কাছে সবটা ক্লিয়ার কেনো আজ জাহিদ বাইক না নিয়ে বাসে করে যেতে চাইছে আর কেনই এই পিছনে সিট নিয়েছে,, রিয়া অঝোরে কেদে চলেছে,,,, কিছুক্ষন পর
আরে আরে এসব পাগল কে গাড়ি তে তুলছেন কেনো,,, উৎসব জনতার মুখে আমি দেখলাম একটা লোক উসকোখুসকো চুল, ময়লা ছেড়া জামা পড়ে গাড়িতে উঠেছে,, লোকটা বলার ট্রাই করছে লোকটা পাগল না ,,, কে শুনে কার কথা কেউ বুঝতে চাইছে না,,, অতঃ পর আমি লোকঠা কে আমার পাশের সিটে এনে বসালাম,, মুলত আমার কাজ হচ্ছে রিয়া কে দেখানো আর ওকে আরোও কষ্ট দেয়া ,,,,,,
তারপর আমি তাকে বললাম তা কথাবার্তার ধরন দেখে তো শিক্ষিত মনে হচ্ছে তা এতদিন কোথায় ছিলেন ,,মনে হচ্ছে কোনো এক জেল ফেরত আসামি ,,,,
লোকটি: আপনি কি করে বুঝলেন এটা ,,,,,
জাহিদ:তার মানে আপনি সত্যই জেল ফেরত আসামি ,,, এই দূরে সরে বসেন,,,, হে আল্লাহ আজকে কি খালি অশুভই হবে আমার সাথে,,,,
লোকটা : ওকে যাচ্ছি,,,
(তারপর লোকটা একটু দূরে গিয়ে রিয়ার সাথে দাড়ালো,, ও দেখলো রিয়া কাদছে এখনো,_তখন লোকটা রিয়া কে বললো)
লোকটি: আপনি চাইলে ওই পিছনের সিটটাতে যেতে পারৈন মা জননী,,,,
রিয়া: নো থেংক্স,, ওর সাথে বসার চেয়ে দাড়িয়ে থাকা ভালো,, ওর কাছে বসা মানে নিজেকে একজন পতিতা বানানো (কেদে কেদে)
লোকটি: ওহহ আচ্ছা বুঝেছি ,, তাহলে শক্ত করে ধরে রাখুন,, আর কান্নাটা থামান, লোকে খারাপ ভাবছে,,,,,
রিয়া: (চুপচাপ)
লোকটি: এই যে ভাইয়া একঠা সিগারেট হবে,,,
জাহিদ: আপনি আবার আসছেন,,, যান তো ভালো লাগছে না,,,
লোকটি:একটা গল্প শুনবেন ,,,,
জাহিদ: নাছোরবান্দা তো আপনি ,,, ওকে বলতে থাকেন, আল্লাহ কি পাগলের পাল্লায় পরলাম,,,,
লোকটি: সিগারেট টা দিলেন নাতো,,,
জাহিদ: হুম এই যে নেন ,,,,,,
লোকটি: ঐ যে মেয়ে টা দাড়িয়ে আছে ওইটা কে ভাই,,,,,
জাহিদ: আমার গফ ,, রাগ করছে, তাই ওইখানে গেছে,,,,
লোকটি: ওহহ কি কারনে রাগ করছে,,,,
জাহিদ: এই এতো প্রশ্ন করছেন কেনো, কি গল্প বলবেন বলেন,,,,
লোকটি: হুম শুনন তাহলে
আমার নাম রাফি,, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ কমপ্লিট করেছি ,,,, যখন আমি বিবিএ কম্প্লিট করলাম,, তখন সবাই বলল আমাকে বিসিএস দিতে,, কারন মার্কস ভালো ছিলো আমার ,,, তাই বিসিএস প্রিলিমিনারি ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হয়,ঢাকায়,,, আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল,,, তাই এখানে এক দুরসম্পরকের মামার বাসায় থেকে বিসিএস এর জন্য ট্রেনিং করছি,, মামার এক মেয়ে এক,ছেলে ,,, ছেলেটার নাম আবিদ, মেয়ে টার নাম সুমি ,,,,(কাদতে লাগলো),,,,,,,,
জাহিদ: হে ভাই কাদছেন কেনো, পরের অংশ টা বলুন,,, আর আগে আপনাকে পাগল বলার জন্য সরি ,,,,,,,,,
রাফি: ইট্স ওকে ,, তারপর আমি যখন ওদের বাসায় থাকতাম আমার সব খেয়াল সুমিই রাখতো ,,, খুব ভালো ছিল মেয়ে টা জানো ,,আচ্ছা তোমাকে ডিটেইলস এ বলি না হলে তুমি বুঝবে না ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
7 years ago,,,,,
সুমি: এই যে রাফি ভাইয়া আপনার চা,,,,
রাফি: থেংক্সূ সুমি,,, আচ্ছা তুমি আমার এতো কেয়ার করো কেনো,,,
সুমি: সময় হলেই বলবো, চা টা খান তো আজকে ট্রেনিং এ আমি আপনাকে ড্রপ করবো বুজেছেন,,,,,
রাফি: আররে আমি তো রিক্সা করেই যেতে পারবো,,,
এমন সময় সুমির আব্বু এসে প্রবেশ করলো ,,,,,,,,,,,,,,,,
মামা: তা বাবা এখানে তোমার কিছু সমসসা হচ্ছে না তো ,,,,,
রাফি: এমা না মামা আমার কোনো সমস্যা হচ্ছে না ,, আমি দিব্যি ঠিক আছি ,,,,,,,
মামা: হুম ,, আজ থেকে তুমি এখানেই থাকবে ,,, তবে বাবা তোমার কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে ,,,
রাফি:জী আংকেল বলেন ,,,,
মামা: মা সুমি আমার জন্য এক গ্লাস পানি আনতো উপর থেকে ,,,,
সুমি: হ্যা বাবা আমি এক্ষুণি আনছি ,, তোমরা গল্প করো আমি এনে দিচ্ছি ,,,,
**এতক্ষণ সুমি আমাদের কথাগুলো দাড়িয়ে শুনছিলো ,ও তখন পানি আনতে উপরে চলে গেলো **
মামা: হ্যা বাবা যেটা বলছিলাম ,, আজকাল বিশ্বাসি মানুষের বড্ড অভাব , আমার একটা চা বাগান আছে ওইটাতে যদি তুমি দেখভাল করতে তাহলে খুব ভালো হতো, অবশ্য যদি তোমার আপত্তি না থাকে,,,,,,,
রাফি: না মামা এখানে এসে সব কিছু ফিরে পেয়েছি ,যার কিছু ছিলো না তাকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছেন,, মাথা গোজার ঠাই দিয়েছেন ꫰ আপনাদের জন্য এটুকু না করতে পারলে আমি নিজেই নিজের কাছে অপরাধী থাকবো,,,,,,
মামা: ছিঃ ছিঃ বাবা এভাবে বলে না , ওহহ আর একটি কথা সুমি ছেলে মানুষ ও যদি কখনো কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয় ,, আশা করি তুমি ওকে প্রশ্রয় দিবে না ,,,,,
রাফি: জী মামা নিশ্চই ,,,,
মামা: দেখো বাবা তুমি বুদ্ধিমান ছেলে আমি তোমাকে কি বুঝাতে চেয়েছি তুমি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছো,, আশা করি তুমি আমার বিশ্বাসের অমর্যাদা করবে না ,,,
রাফি: হুম মামা ,,,,,
মামা: ওকে এখন একটু ঘুমাও ,, বিকালে না হয় একটু চা বাগান থেকে ঘুড়ে আসবো আমরা ,,,,,,
রাফি জী আসসালামুলাইকুম ,,,,,,,
এভাবেই কাটতে লাগলো দিনগুলো ,, বিশ্বাস করুন কোনোদিন ভাবতে পারি নি এতো তারাতারি আমার লাইফ টা চেন্জ হয়ে যাবে ꫰আমার কাজ হচ্ছে শুধু স্কুলে সুমির দেখভাল করা আর বাগানের খোজখবর রাখা ꫰ যদিও আমি সুমির খোজখবর রাখি তবু সুমির সাথে আমার উঠা বসা চলা ফেরা এমনকি অপ্রয়োজনে কথা বলাও নিষেধ আছে সুমির আব্বুর পক্ষ থেকে ꫰ যদিও সুমি এটা জানে না,, আমিও অক্ষরে অক্ষরে চেষ্টা করি ওর আব্বুর কথাগুলি মানার জন্য,, এতে সুমি মন খারাপো করে মাঝে মাঝে ꫰ এইতো সেদিন ও এতো করে বললো ওর গাড়ি করে বাসাই ফেরার জন্য,, কিন্তু আমি ফেরে নি এই ঝড় বাদলের মধ্যেও রিক্সা করে ফিরেছি ꫰ স্কুল শেষে আমি আজকে রিক্সার জন্য অপেক্ষা করছি ,এমন সময় হঠাৎ একটা হাত এসে আমাকে পিছনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে…
_: ওই চল তো ,, আজকে তোকে আমার গাড়ি করেই যেতে হবে ,,,,
রাফি: ধেত তুই যা তোর গাড়ি করে আমি যাবো না ,,,,
_: না আজকে যেতে হবে ,, তোকে না নিয়ে আজকে আমি এখান থেকে যাবো না,,,,,
রাফি: ওই কেন রে আমি তোর কে হয় রে ,যে আমাকে ছাড়া যাবি না,,,,,
_:এমা তুই জানিস না তুই আমার জামাই রে জামাই ꫰ তুই শাকিব আমি বুবলি,,, তুই উত্তম আমি সুচিত্রা ,,,তুই দেব আমি কোয়েল,, তুই নিশো আমি মেহেজাবিন,, তুই তুই ———-,,,,,,,
রাফি: আর মনে পড়ছে না মিস মেহেজাবিন ,,,
_: না পড়ছে না ,,,,,
রাফি:বাপরে বাচলাম,, আর এখন এইখান থেকে ফট তো ,,,,,,
_: না আজকে তোকে না নিয়ে আমি যাচ্ছি না ꫰ আর জামাই যাবে রিক্সা করে আর বউ যাবে প্রাইভেট কারে এটা অন্তত আজকের জন্য হয় না ,,,,,,
রাফি: এই আমি তোর কোন জন্মের জামাই রে ,,,,,
_: এ জন্মের রে এ জন্মের ,,,,
রাফি: ধেত যা তো বাপ ,,,,,
_: ওই আমি তোর বাপ না আমি তোর বউ ,, আর কেনো যাবি নি ওই সুমি বারন করেছে নাকি,,,,
রাফি: আররে কি যে বলিস না ,,আচ্ছা চল ,,,,,,,
_: ওই ঘাড়ে হাত দিলি কেন,, লুচ্চা কোনকার ,,,,,
রাফি: ওহহ সরি সরি ,,,,
_: ধেত হাদারাম কোথাকার আমি তোর বউ না রাখ রাখলে প্রবলেম নেই ,,,,,,(হিহিহিহি)
রাফি: ওরে আমার বউ রে এবার চল নইতো কোচিং এর লেট হয়ে যাবে ꫰,,,,,
_: হুম চল ,,,,,
রাফি: ধেত তুই যা তোর গাড়ি করে আমি যাবো না ,,,,
_: না আজকে যেতে হবে ,, তোকে না নিয়ে আজকে আমি এখান থেকে যাবো না,,,,,
রাফি: ওই কেন রে আমি তোর কে হয় রে ,যে আমাকে ছাড়া যাবি না,,,,,
_:এমা তুই জানিস না তুই আমার জামাই রে জামাই ꫰ তুই শাকিব আমি বুবলি,,, তুই উত্তম আমি সুচিত্রা ,,,তুই দেব আমি কোয়েল,, তুই নিশো আমি মেহেজাবিন,, তুই তুই ———-,,,,,,,
রাফি: আর মনে পড়ছে না মিস মেহেজাবিন ,,,
_: না পড়ছে না ,,,,,
রাফি:বাপরে বাচলাম,, আর এখন এইখান থেকে ফট তো ,,,,,,
_: না আজকে তোকে না নিয়ে আমি যাচ্ছি না ꫰ আর জামাই যাবে রিক্সা করে আর বউ যাবে প্রাইভেট কারে এটা অন্তত আজকের জন্য হয় না ,,,,,,
রাফি: এই আমি তোর কোন জন্মের জামাই রে ,,,,,
_: এ জন্মের রে এ জন্মের ,,,,
রাফি: ধেত যা তো বাপ ,,,,,
_: ওই আমি তোর বাপ না আমি তোর বউ ,, আর কেনো যাবি নি ওই সুমি বারন করেছে নাকি,,,,
রাফি: আররে কি যে বলিস না ,,আচ্ছা চল ,,,,,,,
_: ওই ঘাড়ে হাত দিলি কেন,, লুচ্চা কোনকার ,,,,,
রাফি: ওহহ সরি সরি ,,,,
_: ধেত হাদারাম কোথাকার আমি তোর বউ না রাখ রাখলে প্রবলেম নেই ,,,,,,(হিহিহিহি)
রাফি: ওরে আমার বউ রে এবার চল নইতো কোচিং এর লেট হয়ে যাবে ꫰,,,,,
_: হুম চল ,,,,,
এতক্ষন যার সাথে কথা বললাম ও আমার বেস্টু অর্নি,,, এতক্ষনে নিশ্চই বুঝে গেছেন ও কেমন মেয়ে ꫰ তা যাই হোক কোচিং করে বাসায় ফিরে দেখি বাসার সকলের মুখ থমথমে ꫰ মামা মুখ কালো করে বসে আছে,, রামু কাকার (বাসার কাজের লোক) কাছ থেকে জানতে পারি সুমি স্কুল থেকে এসে কিচ্ছু খাই নি ꫰ সারাক্ষন কাদছে কিন্তু কিছু বলছে না কাউকে,, মামা কে বলেছে শুধু ও কাল থেকে স্কুলে যাবে না ꫰ আমি তখন ওর রুমে গেলাম …….
রাফি: এই যে সুমি এখনি খান নি কেনো,, আর শুনলাম আপনি বিকাল থেকেই কেদে চলেছেন , কি হয়েছে ?,,,,,,
সুমি: না কিছু হয় নি ,,,,
রাফি:আংকেল এখনো খান নি ,,,,,,,,
——-(কথা নেই কোনো সুমির),,,,,,,
রাফি: আমিউ এখনো খাই নি ,,
সুমি: কী আপনি এখনো খান নি ,,,,,,
রাফি: না খাই নি ভেবেছিলাম আপনাকে নিয়ে খাবো,,
সুমি: আপনি প্লিজ অর্নির সাথে মিশবেন না আর মিশলে খবর আছে,, তুই শুধু আমার ,,,,
রাফি: মানে কি বলছো,,,,
সুমি : ঠিকই বলছি আমি আপনাকে ভালোবাসি,, আর এও জানি আপনিও ভালোবাসেন আমাকে,,
রাফি: দুষ্টু মেয়ে হুমম,,,,
সুমি: এই হাতটা ছারুন তো, বিয়ের আগে এসব কিচ্ছু হবে না,,,,
রাফি: হুম ,,উম্মাহ,,,
সুমি: এটা রোজ কপালে দিলেই খুশি,, আসলে শারিরীক ভালোবাসার নাম প্রেম না আত্মিক ভালোবাসার নাম প্রেম,,, (এভাবে চার মাস কেটে গেলো,,, একটু আটটু কিস, আর হাত ধরতে পারি শুধু সুমির ,,একদিন সকালে সুমি গোসল শেষে রুমের দরজা খোলা রেখেই চুল আচ্চারিচ্ছিলো,,, ওকে দেখে মনের ভিতর শীহরন জেগেছিল,, ওকে কিছু না বলেই আমি ওকে তখন জড়িয়ে ধরে আমার যৌন ক্ষুধা মেটালাম,, ও তখন শুধু কাদছিলো,,,
জাহিদ: মানে পুরোটা খুলে বলুন তো,,,,,,
রাফি: হে বলছি আরেকটা সিগারেট দাও,,,,,,,
জাহিদ: এই যে নেন,, এবার বলুন তো আর চোখের পানি টা মুছুন,,,,
রাফি: ওইদিন সকালে ফ্রেশ হওয়ার জন্য বাথরুমে যাচ্ছি,, কৌতুহল বশত সুমির দরজা খুলা দেখে তাকিয়ে দেখি সোমা চুল আচরাচ্ছে,, চুলের পানিগুলো তখনো ঝরছে,, উফফ ওর গায়ে ওরনা ছিলো না,,, ওকে দেখে ৪২০ বোল্টের ধাক্কা খাই,,, আমার হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে যায়, তৎক্ষণাৎ ওর রুমে ডুকে দরজা লাগিয়ে দেই,, ও আমাকে দেখেই হকচকিয়ে গেছে,,,,,,,,,
সুমি:তুমি এখন এখানে,,
রাফি:তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে,,, (কাছে এগোতে লাগলাম)
সুমি:Please রাফি স্টপ,, ইট্স নট রাইট,, আই কান বিলিভ দিস,, রাবিশ ,,,ডন্ট ট্রাই টু টাচ মি,,,,
রাফি: হে এট্রিবিউট গার্ল কাম অন, লেট্স এনজয়,,,,,,,
সুমি: রাফি প্লিজ আমার সর্বনাশ করো না এতে করে তুমি আমি সাথে আমাদের তিনটা লাইফ ধব্ংস হবে,,,,
রাফি: এই যে সুমি এখনি খান নি কেনো,, আর শুনলাম আপনি বিকাল থেকেই কেদে চলেছেন , কি হয়েছে ?,,,,,,
সুমি: না কিছু হয় নি ,,,,
রাফি:আংকেল এখনো খান নি ,,,,,,,,
——-(কথা নেই কোনো সুমির),,,,,,,
রাফি: আমিউ এখনো খাই নি ,,
সুমি: কী আপনি এখনো খান নি ,,,,,,
রাফি: না খাই নি ভেবেছিলাম আপনাকে নিয়ে খাবো,,
সুমি: আপনি প্লিজ অর্নির সাথে মিশবেন না আর মিশলে খবর আছে,, তুই শুধু আমার ,,,,
রাফি: মানে কি বলছো,,,,
সুমি : ঠিকই বলছি আমি আপনাকে ভালোবাসি,, আর এও জানি আপনিও ভালোবাসেন আমাকে,,
রাফি: দুষ্টু মেয়ে হুমম,,,,
সুমি: এই হাতটা ছারুন তো, বিয়ের আগে এসব কিচ্ছু হবে না,,,,
রাফি: হুম ,,উম্মাহ,,,
সুমি: এটা রোজ কপালে দিলেই খুশি,, আসলে শারিরীক ভালোবাসার নাম প্রেম না আত্মিক ভালোবাসার নাম প্রেম,,, (এভাবে চার মাস কেটে গেলো,,, একটু আটটু কিস, আর হাত ধরতে পারি শুধু সুমির ,,একদিন সকালে সুমি গোসল শেষে রুমের দরজা খোলা রেখেই চুল আচ্চারিচ্ছিলো,,, ওকে দেখে মনের ভিতর শীহরন জেগেছিল,, ওকে কিছু না বলেই আমি ওকে তখন জড়িয়ে ধরে আমার যৌন ক্ষুধা মেটালাম,, ও তখন শুধু কাদছিলো,,,
জাহিদ: মানে পুরোটা খুলে বলুন তো,,,,,,
রাফি: হে বলছি আরেকটা সিগারেট দাও,,,,,,,
জাহিদ: এই যে নেন,, এবার বলুন তো আর চোখের পানি টা মুছুন,,,,
রাফি: ওইদিন সকালে ফ্রেশ হওয়ার জন্য বাথরুমে যাচ্ছি,, কৌতুহল বশত সুমির দরজা খুলা দেখে তাকিয়ে দেখি সোমা চুল আচরাচ্ছে,, চুলের পানিগুলো তখনো ঝরছে,, উফফ ওর গায়ে ওরনা ছিলো না,,, ওকে দেখে ৪২০ বোল্টের ধাক্কা খাই,,, আমার হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে যায়, তৎক্ষণাৎ ওর রুমে ডুকে দরজা লাগিয়ে দেই,, ও আমাকে দেখেই হকচকিয়ে গেছে,,,,,,,,,
সুমি:তুমি এখন এখানে,,
রাফি:তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে,,, (কাছে এগোতে লাগলাম)
সুমি:Please রাফি স্টপ,, ইট্স নট রাইট,, আই কান বিলিভ দিস,, রাবিশ ,,,ডন্ট ট্রাই টু টাচ মি,,,,
রাফি: হে এট্রিবিউট গার্ল কাম অন, লেট্স এনজয়,,,,,,,
সুমি: রাফি প্লিজ আমার সর্বনাশ করো না এতে করে তুমি আমি সাথে আমাদের তিনটা লাইফ ধব্ংস হবে,,,,
রাফি:(আমি ওর কথার পরোক্ষ না করে ওকে প্রেমের দোহাই দিয়ে ওর কাছে গিয়ে হীংস্র পশুর মতো ওর উপর ঝাপিয়ে পরে,,, ওকে নগ্ন করে আমি আমার যৌনচাহিদা মেটাই,, এতোটাই পশুর মতো ওর ইচ্ছের বিরূদ্ধে টর্চ করি যে ও সেন্সলেস হয়ে পরে,, আমি তখন ভয় পেয়ে পালিয়ে যাই,, আর ওকে হসপিটালে ভর্তি করানো হয়,,,,,,
জাহিদ: ভাই চোখের পানি টা মুছুন,, আর তারপর কি হলো প্লিজ এভাবে কাদবেন না,,,,,,,
রাফি: হুম তারপর সুমিকে হসপিটালে ভর্তি করানো হয়,,কিন্তু সুমি আর কোনোদিন এই বিপর্যয় থেকে কেটে উঠতে পারি নি,,, ও ওর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে,,, আসলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক ছিলো,,, আসলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো কিছু করা ঠিক না,,,,
জাহিদ: ওহহ তাহলে সোমার ইচ্ছা ছিলো না আপনার সাথৈ রুম ডেট করার,,
রাফি: হুম ঠিক, আমি জোড় করেই সব করেছি,, জোড় করে একটা মেয়ে কে ইমুশনালি ব্লেকমেইল করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সাথে যৌনলীলা খুবই ভয়ানক, আচ্ছা তুমি কখনো পুরুষ ধর্ষনের কথা শুনেছো ব্রো,,,,,
জাহিদ: হুম মাসুদ রানার হরর গল্পসমূহে মাঝে মাঝে পরেছি,,,
রাফি: আমি জানি জোড় করে ধর্ষন এর কি জালা,, আমি যে কারাগারে থাকতাম ওদের মধ্যে আমিই ছিলাম সবচেয়ে সুন্দর,, ওরা যখন ওদের যৌন উত্তেজনায় বিভোর হয়ে যেতো, তখন আমাকেই,,,,,
জাহিদ: আমি কাজটা একদম ঠিক করি নি ব্রো,, রিয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওকে টাচ করা মোটেও ঠিক হয় নি,,,,,
রাফি: হুম ব্রো আমি এখন নামবো,, ওহহ গল্পটা শেষ করা তো হয় নি,,তারপর আমি পুলিশের হাতে ধরা পরে যাই,, অতঃপর কারাভোগ,, শুনেছি সুমি আজ পাগল হয়ে গেছে,, ওর এই অবস্থার জন্য আমি দায়ী,, ভাই নামি,, ভালোবাসার মানুষটাকে পবিত্র ভাবে ভালোবেসো,,
জাহিদ: ধন্যবাদ ভাই,, আপনি আমার চোখ খুলে দিয়েছেন,,,,,
(তারপর রাফি ঢাকা সাভারে নেমে পরে,, একটু আগাতেই সে দেখতে পাই তার সুমি কে,, তার জন্য যে আজ রাস্তার পাগলি,,,রাফি সুমির কাছে গিয়ে ওর হাত ধরতেই সুমি হাতটা ছিটকে ফেলে দেই,,, আর বলতে থাকে এই আপনি ছুবেন না আমাকে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছুলে আমার হেজিটেশন ফিল হয়,,
রাফি: সুমি আমি তোমাকে ভালোবাসি,,, আমি তোমার জরাফি

(কেদে কেদে)
সুমি: ওহহ আপনাকে ছুবেন না কেউ ছুবেন না আমায়,, আমার সেক্সুয়াল লাভ ভালো লাগে না,, হাহাহা,, এই একটা কিছু খেতে দে না,, কিচ্ছু খেতে দেই না কেউ আমাকে,,,
রাফি: হুম আমি আনছি,, এখানে দাড়াও,,,,,
সুমি: হিহি হি ,,,(বলেই সুমি রাফির পিছনে ছুটতে লাগলো,, তখন একটা ট্রাক এসে সুমি কে ধাক্কা দেই,, সুমির নিথর দেহ টার দিকে চেয়ে থাকে রাফি ওর চোখ দিয়ে পানিও পরছে না সেদিন থেকে এক বোবা পাগলকে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ওই রাস্তার ধারে,,, তা যাই হোক সেই পাগলটা আর কেউ না রাফি
আর রাফির জন্যই রিয়া তার বাবার পরে আর একটা নিরাপদ স্থান খুজে পেয়েছে সেটা হলো জাহিদের বুক,, এখন আর জাহিদ কোনো অনৈতিক উদ্দেশে রিয়া কে টাচ করে না করে ভালোবাসার লক্ষি পরশ থেকে,,,,,,
মেয়ে মানে ঘরের লক্ষি,, মেয়ে মানে বাবার রাজকন্যা,,মেয়ে মানে ভাইয়ের একমাত্র দুষ্টমির সাথি,মেয়ে মানে যার একটা মেয়ে আছে তার একটা জান্নাত আছে,,মেয়ে মানে যার মনটা শুধু মায়া মমতা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি,,মেয়ে মানে যার একফোঁটা হাসি পুরো দুনিয়ার ভালোবাসার সমান তাই ভাই আসো সবাই মেয়েদের রিসপেক্ট করি,,,,,,,,দেখলেন তো একটা অনৈতিক সেক্সুয়াল লাভের জন্য দুটো প্রাণ কিভাবে নষ্ট হলো, সো আসুন অজাচারে লিপ্ত ভালোবাসা ত্যাগ করে ভালোবাসার মানুষটির প্রাপ্য সম্মান দেই. ,,,,,
জাহিদ: ভাই চোখের পানি টা মুছুন,, আর তারপর কি হলো প্লিজ এভাবে কাদবেন না,,,,,,,
রাফি: হুম তারপর সুমিকে হসপিটালে ভর্তি করানো হয়,,কিন্তু সুমি আর কোনোদিন এই বিপর্যয় থেকে কেটে উঠতে পারি নি,,, ও ওর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে,,, আসলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক ছিলো,,, আসলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো কিছু করা ঠিক না,,,,
জাহিদ: ওহহ তাহলে সোমার ইচ্ছা ছিলো না আপনার সাথৈ রুম ডেট করার,,
রাফি: হুম ঠিক, আমি জোড় করেই সব করেছি,, জোড় করে একটা মেয়ে কে ইমুশনালি ব্লেকমেইল করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সাথে যৌনলীলা খুবই ভয়ানক, আচ্ছা তুমি কখনো পুরুষ ধর্ষনের কথা শুনেছো ব্রো,,,,,
জাহিদ: হুম মাসুদ রানার হরর গল্পসমূহে মাঝে মাঝে পরেছি,,,
রাফি: আমি জানি জোড় করে ধর্ষন এর কি জালা,, আমি যে কারাগারে থাকতাম ওদের মধ্যে আমিই ছিলাম সবচেয়ে সুন্দর,, ওরা যখন ওদের যৌন উত্তেজনায় বিভোর হয়ে যেতো, তখন আমাকেই,,,,,
জাহিদ: আমি কাজটা একদম ঠিক করি নি ব্রো,, রিয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওকে টাচ করা মোটেও ঠিক হয় নি,,,,,
রাফি: হুম ব্রো আমি এখন নামবো,, ওহহ গল্পটা শেষ করা তো হয় নি,,তারপর আমি পুলিশের হাতে ধরা পরে যাই,, অতঃপর কারাভোগ,, শুনেছি সুমি আজ পাগল হয়ে গেছে,, ওর এই অবস্থার জন্য আমি দায়ী,, ভাই নামি,, ভালোবাসার মানুষটাকে পবিত্র ভাবে ভালোবেসো,,
জাহিদ: ধন্যবাদ ভাই,, আপনি আমার চোখ খুলে দিয়েছেন,,,,,
(তারপর রাফি ঢাকা সাভারে নেমে পরে,, একটু আগাতেই সে দেখতে পাই তার সুমি কে,, তার জন্য যে আজ রাস্তার পাগলি,,,রাফি সুমির কাছে গিয়ে ওর হাত ধরতেই সুমি হাতটা ছিটকে ফেলে দেই,,, আর বলতে থাকে এই আপনি ছুবেন না আমাকে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছুলে আমার হেজিটেশন ফিল হয়,,
রাফি: সুমি আমি তোমাকে ভালোবাসি,,, আমি তোমার জরাফি
সুমি: ওহহ আপনাকে ছুবেন না কেউ ছুবেন না আমায়,, আমার সেক্সুয়াল লাভ ভালো লাগে না,, হাহাহা,, এই একটা কিছু খেতে দে না,, কিচ্ছু খেতে দেই না কেউ আমাকে,,,
রাফি: হুম আমি আনছি,, এখানে দাড়াও,,,,,
সুমি: হিহি হি ,,,(বলেই সুমি রাফির পিছনে ছুটতে লাগলো,, তখন একটা ট্রাক এসে সুমি কে ধাক্কা দেই,, সুমির নিথর দেহ টার দিকে চেয়ে থাকে রাফি ওর চোখ দিয়ে পানিও পরছে না সেদিন থেকে এক বোবা পাগলকে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ওই রাস্তার ধারে,,, তা যাই হোক সেই পাগলটা আর কেউ না রাফি
আর রাফির জন্যই রিয়া তার বাবার পরে আর একটা নিরাপদ স্থান খুজে পেয়েছে সেটা হলো জাহিদের বুক,, এখন আর জাহিদ কোনো অনৈতিক উদ্দেশে রিয়া কে টাচ করে না করে ভালোবাসার লক্ষি পরশ থেকে,,,,,,
মেয়ে মানে ঘরের লক্ষি,, মেয়ে মানে বাবার রাজকন্যা,,মেয়ে মানে ভাইয়ের একমাত্র দুষ্টমির সাথি,মেয়ে মানে যার একটা মেয়ে আছে তার একটা জান্নাত আছে,,মেয়ে মানে যার মনটা শুধু মায়া মমতা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি,,মেয়ে মানে যার একফোঁটা হাসি পুরো দুনিয়ার ভালোবাসার সমান তাই ভাই আসো সবাই মেয়েদের রিসপেক্ট করি,,,,,,,,দেখলেন তো একটা অনৈতিক সেক্সুয়াল লাভের জন্য দুটো প্রাণ কিভাবে নষ্ট হলো, সো আসুন অজাচারে লিপ্ত ভালোবাসা ত্যাগ করে ভালোবাসার মানুষটির প্রাপ্য সম্মান দেই. ,,,,,

1 Comments
Nice
ReplyDelete