![]() |
| বয়ে নিয়ে যাচ্ছে |
দু’জনকেই বয়ে নিয়ে যাচ্ছে…
শুধু ধরনটা আলাদা।
মেয়েটাকে পালকি…, ছেলেটাকে খাটিয়া!
ছেলেটা এত শিক্ষিত না হলেও মোটামুটি জ্ঞ্যান আছে। ফেইসবুক আরো অন্যন্যা ব্লগেও লিখা লিখি করে। সবাই সাপোর্ট দেয়। যেহেতু গুঁছিয়ে লিখতে পারে। সবাই উৎসাহ দেয়।
শুধু ধরনটা আলাদা।
মেয়েটাকে পালকি…, ছেলেটাকে খাটিয়া!
ছেলেটা এত শিক্ষিত না হলেও মোটামুটি জ্ঞ্যান আছে। ফেইসবুক আরো অন্যন্যা ব্লগেও লিখা লিখি করে। সবাই সাপোর্ট দেয়। যেহেতু গুঁছিয়ে লিখতে পারে। সবাই উৎসাহ দেয়।
দেখতে তেমন ভাল নাহলেও খারাপ বলা যায়না।
স্কুলের ঘন্টি শেষ হয়নি তার কলেজে যাওয়া মধ্যবিত্তদের দুঃস্বপ্ন। ক্লাশ ফাইভ পাশ করেছিল ছেলেটি।
,
কলেজ ভার্সিটি তে যায়নি, তাছাড়া সে তেমন কারো সাথে মিশতোনা। স্মার্টনেস বলে কিছু আছে সেটা তার কাছে জানা নেই। মা বাবা ছোট একটা বোন নিয়েই সে বাকি জীবনের যাত্রী।
ফেবুতে কোন মেয়ের সাথে চ্যাট করেন বা! তার পোষ্টে কোন মেয়ে কমেন্ট করলেও একাধিক রিপ্লে দেয়না। সব সময় চ্যাট অফ করেই রাখে। কোন মেয়ে যদিও নক করে, কেমন আছেন? ভাল আছি, এই টুকুই।।।
,
তার স্বপ্ন সে সব সময় তার মা-বাবাকে সুখে রাখা। মায়ের কথার অবাধ্য হয়না সে। যদিও তার জীবনের ২২ টা বসন্ত পেরিয়ে এসেছে, তবুও সে মায়ের কাছে সে ছোট্ট খোকা।।
ছেলেটি বিদেশ এসেছে, তার স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্য নিয়ে ভবিষ্যৎ ভাল কিছু করার আশা নিয়ে, যেহেতু ছোট বোন আছে সেটাও বিয়ে দিতে হবে।
,
ভালই কাটছে তার দিন। সে ঠিক আগের মতই লেখা লেখি করে। রেডিও মুন্না পেইজে একটা গল্প দিয়েছে! লেখার কমেন্ট গুলো পড়তেছে। কয়েক জনকে রিপ্লে দিচ্ছে। হটাৎ তার চোখ আটকে যায় (তৃনি তৃপ্তার্তি) নাম টা দেখে! কমেন্ট করেছে (ইশ আমার যদি এমন হতো)
ছেলেটা রিপ্লে দিয়েছে(হবে অপেক্ষা করেন)
,
বরাবরের মত একাধিক রিপ্লে দেয়নি ছেলেটা।যদিও মেয়েটা রিপ্লে দিয়েছে। কানে হ্যাডফোন লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল প্রতিদিনের ন্যায়ে।
সকালে ফেবুতে লগিন করতে দেখে তৃনি তৃপ্তার্তি আইডিটা রিকোয়েস্ট দিয়েছে। ছেলেটার দৈনিক ৫০/৬০ টা রিকোয়েস্ট আসে ভাল লাগলে এক্সসেপ্ট করে না হলে ঝুলিয়ে রাখে।
,
মনে মনে ভাললো মেসেজ দিলে এক্সসেপ্ট করবে নাহলে ঝুলিয়ে থাকবে। কয়েক দিন পরে আবার পেইজে কমেন্ট করেছে, লেখক সাহেব। রিকুয়েস্টটা এক্সসেপ্ট করেন। দেখেই এক্সসেপ্ট করল। মেয়েটা সাথে সাথেই নক করে.. ছেলেদের এত ভাব নেওয়া ভালোনা।
-এখানে ভাবের কি দেখলেন?! রিকুয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখাটাকি ভাবের অংশে পরে?
,
মেয়েটা আর রিপ্লে দেয়নি, তাদের ইনবক্সে যদিও কথা হয়না- ছেলেটার পোষ্টের কমেন্ট বক্স যেন তাদের ইনবক্স।
এভাবেই চলে যায় কয়েক মাস- মেয়েটা আগে ফেবুতে ছবি আফলোড দিতনা ইদানিং ছবি আফলোড দেয়! নানান ধরনের ক্যাপশন দিয়ে যেন ছেলেটার হিংসে হয়।
ছেলেটা দেখেও না দেখার বান করে। অন্য কোন মেয়ের ছবিতে যদিও কমেন্ট করে তাও (
smile emoticon
) এই ইমুটা শুধু। মেয়েটা যদি দেখে সেখানেও রাগের ইমো রিপ্লে দিয়ে আসে। এভাবেই চলতে থাকে।
,
একদিন মেয়েটা আবার নক করে..
-তোমার জি এফ কেমন আছে?
-আমার জি এফ নাই. ভদ্র ছেলেদের জি এফ থাকেনা।
-তুমি ভদ্র? তুমি একটা লুইচ্চা
tongue emoticon
তাইতো মেয়েদের ছবিতা কমেন্ট করো!
-আজিব. মেয়েদের ছবিতে কমেন্ট করলেই কি লুইচ্ছা হতে হয়?
-নেক্সট টাইম যদি আমাকে নক করেন ব্লক দিব! বাই….
,
পরের দিন ওর পরিচিত একটা মেয়ে নক করে..
-তোরে একটা মেয়ে ভালবাসে!
-কোম মেয়ে?!
-তৃনি তৃপ্তার্তি নামে, যে মেয়েটা তোর কমেন্টে বক্সে ফাইজলামো করে সেটা….
দেখ রুপা(মেয়ে বন্ধুটার নাম রুপা) আমার দ্বারা এগুলা সম্ভব না. আমার দিকে চেয়ে আছে একটা পরিবার.. আমাদের এগুলো মানায় না, আর হ্যাঁ প্রেম ভালবাসা বলে এখন কিছু নেই সব টাইম পাস করা মাত্র, তাছাড়া মেয়েটা অনেক বড় ফ্যামিলির তার এবাঊট দেখেই বুঝেছি সে মেডিকেলের ছাত্রি, আর আমি কি? তেলে জ্বলে এক হয়না- মেয়েটাকে আমারো ভাল লাগে, আর এইটাও আমি জানি যে মেয়েটা অনেক আগে থেকে আমাকে ভালবাসে তাই আগে থেকেই এবোয়েড করব এসেছি. যেন যত ঠুকু ভাললেগেছে তাতেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারি, সেটা যেন ভালবাসাতে পরিণত না হয়..
এই বলেই অফলাইন হয়ে যায় ছেলেটি।
,
পরের দিন তাকে ট্যাগ করে একটা পোষ্ট করা হয় হাতে কয়েকটা কাটার দাগ& রক্তে লেখা আই ল্যাব ইউ (T+N) একটা পৃষ্টায় লিখে পিক তুলে দিয়েছে নিছে লিখে দিয়েছে যদি তোমাকে আমি না পাই নিজেকে আরো অনেক ক্ষতি করব।
,
উপায় না পেয়ে ছেলেটি রাজি হয়ে যায়- ফোন নাম্বার দেয়া নেয়া, ছেলেটার ছবি চেয়ে নেয়া সব বিনময় হয়েছে! এক বছর হয়ে গেছে তাদের রিলিশান! মেয়েটা কখনো জানতে চায়নি ছেলেটা কত্তটুকু পড়া লেখা করেছে, যদিও ছেলেটার এবাঊটে লিখা ছিল আমি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত নই।
,
ছোট বোনের বিয়ের কথা বার্তা কনফার্ম, তার আত্বীয় স্বজন মা বাবা বলতেছে তার জন্য মেয়ে দেখবে কি না?! ছেলেটা বলে দিয়েছে তার চয়েস করা মেয়ে আছে, এসেই সবাইকে জানাবে।
,
দেশে এসেছে ছেলেটা বাবা এলাকার মুরব্বি কয়েক জন মিলে যায় মেয়েদের বাড়িতে..
ছেলে কি করে জানতে চাওয়াতে বলে বিদেশ থাকে.. পড়া লেখার যোগ্যতা জানতে চাওয়াতে কনফিউজড হয়ে যায় ছেলেটার বাবা. নানা ধরনের অপমান করে বিদায় দেয় ছেলেটার বাবাকে!
,
মেয়েটাকে ফোন দেয় ছেলেটা,,
মেয়েটা উত্তরে বলে… দেখ আমার পরিবার তোমাকে মেনে নিচ্ছে! আমার কিছু করার নেই,
-তো আমাদের এত্ত দিনের ভালবাসা?
-দেখ নি***! আবেগ সব সময় বাস্তবের কাছে হেরে যায়। আবেগ দিয়ে জীবন চলেনা।
নিজের জায়গা থেকে চিন্তা করেন, তোমার বোন যদি মেডিকেলের ছাত্রি হয়, তুমি এত কষ্ট এত টাকা খরছ করে পড়া শুনা করিয়ে কি একটা মুর্খ প্রবাসীর হাতে তুলে দিবে?!
,
কিছু বলার ছিলনা ছেলেটার, শুধু সে ভাবতে লাগলো এটাই কি তার চাওয়া ছিল?! ভালবাসার প্রতিধান কি এটাই?! নাহ এ হয়না!
,
কয়েকদিন পর মেয়েটার বিয়ে ঠিক হয়।
মেহেদী অনুষ্টানের দিন
কয়েকটা ঘুমের ওষুধ খেয়ে রেল ভিটে বসে থাকে ছেলেটা কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে সে নিজেও জানেনা। রাতের ট্রেনে চাপা দিয়ে যায় তার দেহটাকে, সকালে সবাই দেখে নিতর দেহ ২ টুকরো হয়ে পরে আছে!!!
!
দু’জনকেই বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, শুধু ধরনটা আলাদা, মেয়েটাকে পালকি, আর ছেলেটাকে খাটিয়ায়
স্কুলের ঘন্টি শেষ হয়নি তার কলেজে যাওয়া মধ্যবিত্তদের দুঃস্বপ্ন। ক্লাশ ফাইভ পাশ করেছিল ছেলেটি।
,
কলেজ ভার্সিটি তে যায়নি, তাছাড়া সে তেমন কারো সাথে মিশতোনা। স্মার্টনেস বলে কিছু আছে সেটা তার কাছে জানা নেই। মা বাবা ছোট একটা বোন নিয়েই সে বাকি জীবনের যাত্রী।
ফেবুতে কোন মেয়ের সাথে চ্যাট করেন বা! তার পোষ্টে কোন মেয়ে কমেন্ট করলেও একাধিক রিপ্লে দেয়না। সব সময় চ্যাট অফ করেই রাখে। কোন মেয়ে যদিও নক করে, কেমন আছেন? ভাল আছি, এই টুকুই।।।
,
তার স্বপ্ন সে সব সময় তার মা-বাবাকে সুখে রাখা। মায়ের কথার অবাধ্য হয়না সে। যদিও তার জীবনের ২২ টা বসন্ত পেরিয়ে এসেছে, তবুও সে মায়ের কাছে সে ছোট্ট খোকা।।
ছেলেটি বিদেশ এসেছে, তার স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্য নিয়ে ভবিষ্যৎ ভাল কিছু করার আশা নিয়ে, যেহেতু ছোট বোন আছে সেটাও বিয়ে দিতে হবে।
,
ভালই কাটছে তার দিন। সে ঠিক আগের মতই লেখা লেখি করে। রেডিও মুন্না পেইজে একটা গল্প দিয়েছে! লেখার কমেন্ট গুলো পড়তেছে। কয়েক জনকে রিপ্লে দিচ্ছে। হটাৎ তার চোখ আটকে যায় (তৃনি তৃপ্তার্তি) নাম টা দেখে! কমেন্ট করেছে (ইশ আমার যদি এমন হতো)
ছেলেটা রিপ্লে দিয়েছে(হবে অপেক্ষা করেন)
,
বরাবরের মত একাধিক রিপ্লে দেয়নি ছেলেটা।যদিও মেয়েটা রিপ্লে দিয়েছে। কানে হ্যাডফোন লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল প্রতিদিনের ন্যায়ে।
সকালে ফেবুতে লগিন করতে দেখে তৃনি তৃপ্তার্তি আইডিটা রিকোয়েস্ট দিয়েছে। ছেলেটার দৈনিক ৫০/৬০ টা রিকোয়েস্ট আসে ভাল লাগলে এক্সসেপ্ট করে না হলে ঝুলিয়ে রাখে।
,
মনে মনে ভাললো মেসেজ দিলে এক্সসেপ্ট করবে নাহলে ঝুলিয়ে থাকবে। কয়েক দিন পরে আবার পেইজে কমেন্ট করেছে, লেখক সাহেব। রিকুয়েস্টটা এক্সসেপ্ট করেন। দেখেই এক্সসেপ্ট করল। মেয়েটা সাথে সাথেই নক করে.. ছেলেদের এত ভাব নেওয়া ভালোনা।
-এখানে ভাবের কি দেখলেন?! রিকুয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখাটাকি ভাবের অংশে পরে?
,
মেয়েটা আর রিপ্লে দেয়নি, তাদের ইনবক্সে যদিও কথা হয়না- ছেলেটার পোষ্টের কমেন্ট বক্স যেন তাদের ইনবক্স।
এভাবেই চলে যায় কয়েক মাস- মেয়েটা আগে ফেবুতে ছবি আফলোড দিতনা ইদানিং ছবি আফলোড দেয়! নানান ধরনের ক্যাপশন দিয়ে যেন ছেলেটার হিংসে হয়।
ছেলেটা দেখেও না দেখার বান করে। অন্য কোন মেয়ের ছবিতে যদিও কমেন্ট করে তাও (
smile emoticon
) এই ইমুটা শুধু। মেয়েটা যদি দেখে সেখানেও রাগের ইমো রিপ্লে দিয়ে আসে। এভাবেই চলতে থাকে।
,
একদিন মেয়েটা আবার নক করে..
-তোমার জি এফ কেমন আছে?
-আমার জি এফ নাই. ভদ্র ছেলেদের জি এফ থাকেনা।
-তুমি ভদ্র? তুমি একটা লুইচ্চা
tongue emoticon
তাইতো মেয়েদের ছবিতা কমেন্ট করো!
-আজিব. মেয়েদের ছবিতে কমেন্ট করলেই কি লুইচ্ছা হতে হয়?
-নেক্সট টাইম যদি আমাকে নক করেন ব্লক দিব! বাই….
,
পরের দিন ওর পরিচিত একটা মেয়ে নক করে..
-তোরে একটা মেয়ে ভালবাসে!
-কোম মেয়ে?!
-তৃনি তৃপ্তার্তি নামে, যে মেয়েটা তোর কমেন্টে বক্সে ফাইজলামো করে সেটা….
দেখ রুপা(মেয়ে বন্ধুটার নাম রুপা) আমার দ্বারা এগুলা সম্ভব না. আমার দিকে চেয়ে আছে একটা পরিবার.. আমাদের এগুলো মানায় না, আর হ্যাঁ প্রেম ভালবাসা বলে এখন কিছু নেই সব টাইম পাস করা মাত্র, তাছাড়া মেয়েটা অনেক বড় ফ্যামিলির তার এবাঊট দেখেই বুঝেছি সে মেডিকেলের ছাত্রি, আর আমি কি? তেলে জ্বলে এক হয়না- মেয়েটাকে আমারো ভাল লাগে, আর এইটাও আমি জানি যে মেয়েটা অনেক আগে থেকে আমাকে ভালবাসে তাই আগে থেকেই এবোয়েড করব এসেছি. যেন যত ঠুকু ভাললেগেছে তাতেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারি, সেটা যেন ভালবাসাতে পরিণত না হয়..
এই বলেই অফলাইন হয়ে যায় ছেলেটি।
,
পরের দিন তাকে ট্যাগ করে একটা পোষ্ট করা হয় হাতে কয়েকটা কাটার দাগ& রক্তে লেখা আই ল্যাব ইউ (T+N) একটা পৃষ্টায় লিখে পিক তুলে দিয়েছে নিছে লিখে দিয়েছে যদি তোমাকে আমি না পাই নিজেকে আরো অনেক ক্ষতি করব।
,
উপায় না পেয়ে ছেলেটি রাজি হয়ে যায়- ফোন নাম্বার দেয়া নেয়া, ছেলেটার ছবি চেয়ে নেয়া সব বিনময় হয়েছে! এক বছর হয়ে গেছে তাদের রিলিশান! মেয়েটা কখনো জানতে চায়নি ছেলেটা কত্তটুকু পড়া লেখা করেছে, যদিও ছেলেটার এবাঊটে লিখা ছিল আমি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত নই।
,
ছোট বোনের বিয়ের কথা বার্তা কনফার্ম, তার আত্বীয় স্বজন মা বাবা বলতেছে তার জন্য মেয়ে দেখবে কি না?! ছেলেটা বলে দিয়েছে তার চয়েস করা মেয়ে আছে, এসেই সবাইকে জানাবে।
,
দেশে এসেছে ছেলেটা বাবা এলাকার মুরব্বি কয়েক জন মিলে যায় মেয়েদের বাড়িতে..
ছেলে কি করে জানতে চাওয়াতে বলে বিদেশ থাকে.. পড়া লেখার যোগ্যতা জানতে চাওয়াতে কনফিউজড হয়ে যায় ছেলেটার বাবা. নানা ধরনের অপমান করে বিদায় দেয় ছেলেটার বাবাকে!
,
মেয়েটাকে ফোন দেয় ছেলেটা,,
মেয়েটা উত্তরে বলে… দেখ আমার পরিবার তোমাকে মেনে নিচ্ছে! আমার কিছু করার নেই,
-তো আমাদের এত্ত দিনের ভালবাসা?
-দেখ নি***! আবেগ সব সময় বাস্তবের কাছে হেরে যায়। আবেগ দিয়ে জীবন চলেনা।
নিজের জায়গা থেকে চিন্তা করেন, তোমার বোন যদি মেডিকেলের ছাত্রি হয়, তুমি এত কষ্ট এত টাকা খরছ করে পড়া শুনা করিয়ে কি একটা মুর্খ প্রবাসীর হাতে তুলে দিবে?!
,
কিছু বলার ছিলনা ছেলেটার, শুধু সে ভাবতে লাগলো এটাই কি তার চাওয়া ছিল?! ভালবাসার প্রতিধান কি এটাই?! নাহ এ হয়না!
,
কয়েকদিন পর মেয়েটার বিয়ে ঠিক হয়।
মেহেদী অনুষ্টানের দিন
কয়েকটা ঘুমের ওষুধ খেয়ে রেল ভিটে বসে থাকে ছেলেটা কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে সে নিজেও জানেনা। রাতের ট্রেনে চাপা দিয়ে যায় তার দেহটাকে, সকালে সবাই দেখে নিতর দেহ ২ টুকরো হয়ে পরে আছে!!!
!
দু’জনকেই বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, শুধু ধরনটা আলাদা, মেয়েটাকে পালকি, আর ছেলেটাকে খাটিয়ায়

0 Comments