Humayun Ahmed Quotes – Part ( 2 )
Humayun Ahmed Quotes – Part ( 2 )

1

গার্লফ্রেন্ড বিহীন তরুনের পৃথিবীতে বেঁচে থাকা,
ঘাসবিহীন মাঠে গরুর পায়চারির মত


2

বাঙালি গরমের ভক্ত নরমের যম।
একটু নরম দেখলেই উপায় নেই- ঝাঁপ দিয়ে পড়বে।
তারা যত ঝাঁপ দেবে পুলিশ তত বিপদে পড়বে।
বাঙালি জাতির যত রাগ খাকি পোশাকের দিকে।
পুলিশের দিকে ঢিল মারতে পারলে তারা আর কিছু চায় না.

3

অসংখ্য কষ্ট, যন্ত্রণা পেয়েও মেয়েরা মায়ারটানে একটা ভালোবাসা,
একটা সম্পর্ক, একটা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায়।
এই জন্য মেয়েরা মায়াবতী আর মায়াবতীর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই

4

মায়ের অভিশাপ কখনো সন্তানের গায়ে লাগেনা।
দোয়া গায়ে লাগে, অভিশাপ গায়ে লাগেনা।
হাঁসের গায়ের পানির মত অভিশাপ ঝরে পড়ে যায়।

5

পুরুষদের আহত করার কৌশল মেয়েরা খুব তাড়াতাড়ি শিখে ফেলে
এবং তা ব্যবহারও করে চমৎকার ভাবে।
কেউ তার প্রতিভার বাইরে যেতে পারে না

6

সূর্যোদয় দেখাটা অত্যন্ত জরুরী।
এই দৃশ্যটি মানুষকে ভাবতে শিখায়। মন বড় করে।

7

দিতে পারো একশ ফানুশ এনে?
আজন্ম সলজ্জ সাধ
একদিন আকাশে কিছু ফানুশ উড়াই

8

মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক,
যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ,
কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা

9

ঘর খুলিয়া বাহির হইয়া
জোছনা ধরতে যাই;
হাত ভর্তি চান্দের আলো
ধরতে গেলে নাই।

10

আদর্শ মানুষকে কেউ পছন্দ করে না।
আদর্শ মানুষ ডিসটিল্ড ওয়াটারের মতো – স্বাদহীন।
সমাজ পছন্দ করে অনাদর্শ মানুষকে।
যারা ডিসটিল্ড ওয়াটার নয় – কোকাকোলা ও পেপসির মতো মিষ্টি কিন্তু ঝাঁঝালো।

11

ভাসিয়ে দেবার প্রবণতা প্রকৃতির ভেতর আছে।
সে জোছনা দিয়ে ভাসিয়ে দেয়,
বৃষ্টি দিয়ে ভাসিয়ে দেয়, তুষারপাত দিয়ে ভাসিয়ে দেয়।
আবার প্রবল প্রেম, প্রবল বেদনা দিয়েও তার সৃষ্টজগৎকে ভাসিয়ে দেয়

12

বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই।
কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে। মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না।
যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।

13

ব্যবহার করা কপালের টিপটার আঠা নষ্ট হলেও মেয়েরা সেটা যত্ন করে রেখে দেয়।
একজোড়া কানের দুলের একটা হারিয়ে গেলেও অন্যটা ফেলে না।
পুরাতন শাড়িটা ভাঙা চুড়িটা কাজে লাগবেনা জেনেও তুলে রাখে,
কারণ হল মায়া। মেয়েরা মায়ার টানে ফেলনা জিনিষও ফেলে না।
অসংখ্য কষ্ট , যন্ত্রণা পেয়েও মেয়েরা মায়ারটানে একটা ভালোবাসা,
একটা সম্পর্ক, একটা সংসার টিকিয়ে রাখতে চায়।
এই জন্য মেয়েরা মায়াবতী আর মায়াবতীর কোন পুরুষবাচক শব্দ নেই!

14

মানুষের সমগ্র অতীত তার চেহারায় লেখা থাকে।
যারা সেই লেখা পড়তে পারে তারা মানুষকে দেখেই হুড়হুড় করে অতীত বলে দিতে পারে

15

চমৎকার মেয়েগুলি এমন-এমন জায়গায় থাকে যে ইচ্ছা করলেই হুট করে এদের কাছে যাওয়া যায় না। দূর থেকে এদের দেখে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলতে হয় এবং মনে মনে বলতে হয়, আহা, এরা কী সুখেই না আছে

16

প্রতিটা মেয়ে হয়ত তার স্বামীর কাছে রানী হয়ে থাকতে পারে না।
কিন্তু প্রতিটা মেয়েই তার বাবার কাছে রাজকন্যা হয়ে থাকে

17

মানুষের পুরো জীবনটা হচ্ছে একটা সরল অংক।
তই দিন যাচ্ছে, ততই আমরা তার সমাধানের দিকে যাচ্ছি।

18

একসাথে কখনো সবাইকে সুখী করা সম্ভব না |
আপনি কখনই পারবেন না |
কাউকে না কাউকে অসন্তুষ্ট রাখতেই হবে |
আর তাতেই মনে হয় নিজের গোটা পৃথিবীর একটা প্রান্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়

19

যারা সিগারেট খায় তারা যখন অস্বস্তিকর পরিবেশে পড়ে তখন তাদের সিগারেট ধরাতে ইচ্ছা করে

20

জীবন সহজ নয়, জটিলও নয়-জীবন জীবনের মতো।
আমরাই একে সহজ করি জটিল করি।

21

অনেকদিন পর মেয়ে বন্ধুরা একত্রিত হলে একটা দারুণ ব্যাপার হয়।
আচমকা সবার বয়স কমে যায়।
প্রতিনিয়ত মনে হয় বেঁচে থাকাটা কি দারুণ সুখের ব্যাপার

22

সব পাখি জোড়ায় জোড়ায় ওড়ে।
পক্ষীকুলে শুধুমাত্র চিলকেই নিঃসঙ্গ উড়তে দেখা যায়।
নিঃসঙ্গতার আনন্দের সাথে এই পাখিটার হয়তো বা পরিচয় আছে

23

পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই যা করলে জীবন ব্যার্থ হয়।
জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যার্থ করা খুবই কঠিন

24

অসুন্দর মেয়েদেরও মাঝে মাঝে অপরূপ রূপবতী মনে হয়,
যেমন গায়ে-হলুদের দিন।
শুধু এই দিনটিতেই কোনো বিচিত্র কারণে তারা দেবীমূর্তির মত হয়ে যায়

25

একজন কাছের মানুষ আরেকজন কাছের মানুষকে তখনি ভয় করে যখন সে তাকে বুঝতে পারে না

26

যার মধ্যে অন্ধকার থাকে সে কখনো আলো নিয়ে খেলতে পারে না

27

মানুষ নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে।
সে চায় তাঁকে খুঁজে বের করুক।

28

ছেলেদের জন্য পৃথিবীতে সব চাইতে মূল্যবান হল মেয়েদের হাসি

29

চাঁদনী পসর রাতে যেন আমার মরণ হয়

30

জীবনে কুসিৎত সব ব্যাপারগুলি সহজভাবে ঘটে যায়।
অপরূপ রূপবতী একটা মেয়ে হাসতে হাসতে কঠিন কঠিন কথা বলে

31

সমস্ত জীব-জন্তু ও পশু-পাখির জীবনের বেশীর ভাগ সময় কেটে যায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে গিয়ে।
মানুষের জন্যও এটা সত্যি। আমরাও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজি

32

ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল।
বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।
আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে,শুধু মানুষটাই থাকে না।
মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।

33

যারা মিথ্যা বলে না তারা খুব বিপদজনক।
তারা যখন একটা দুইটা মিথ্যা বলে তখন সেই মিথ্যাকে সত্য হিসাবে ধরা হয়।
এক হাজার ভেড়ার পালের মধ্যে একটা নেকড়ে ঢুঁকে পড়ার মতো।
একহাজার সত্যির মধ্যে একটা মিথ্যা। সেই মিথ্যা হবে ভয়ংকার মিথ্যা

34

বিলাই আর পুরুষ মানুষ এই দুই জাতের কোন বিশ্বাস নাই।
দুইটাই ছোকছুকানি জাত

35

বর্তমানটাই সত্যি। অতীত কিছু না,
ভবিষ্যৎ তো দূরের ব্যাপার।
আমরা বাস করি- অতীতেও না, ভবিষ্যতেও না

36

মেয়ে জাতটাই হচ্ছে মায়াবতীর জাত।
কখন যে এই মেয়েটি মায়ায় জড়িয়ে ফেলেছে,
নিজেই বুঝতে পারেন নি

37

বাবা-মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলনা।
এই খেলনার সবই ভালো।
খেলনা যখন হাসে, বা-মা হাসে।
খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

38

হুট করে প্রেম হয় কনজারভেটিভ ফ্যামিলিগুলোতে।
ঐ সব ফ্যামিলির মেয়েরা পুরুষদের সঙ্গে মিশতে পারে না,
হঠাৎ যদি সুযোগ ঘটে যায়- তাহলেই বড়শিতে আটকে গেল

39

আমাদের মধ্যে সম্মান করা এবং অসম্মান করার দুটি প্রবনতাই প্রবলভাবে আছে।
কাউকে পায়ের নিচে চেপে ধরতে আমাদের ভালো লাগে,
আবার মাথায় নিয়ে নাচানাচি করতেও ভালো লাগে

40

আমি আমার নিজের দেশ নিয়ে অসম্ভব রকম আশাবাদী৷
আমাকে যদি একশোবার জন্মাবার সুযোগ দেয়া হয় আমি একশোবার এই দেশেই জন্মাতে চাইব৷
এই দেশের বৃষ্টিতে ভিজতে চাইব৷ এই দেশের বাঁশবাগানে জোছনা দেখতে চাইব

41

একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তার স্বপ্নটা জানা

42

যে সব মানুষের নাক সেনসেটিভ হয় তাদের কান কম সেনসেটিভ হয়।
প্রকৃতি একটা বেশী দিলে অন্যটা কমিয়ে দেয়।

43

সারা জীবন পাশাপাশি থেকেও এক সময় একজন অন্যজনকে চিনতে পারে না।
আবার এমনও হয়, এক পলকের দেখায় একে অন্যকে চিনে ফেলে

44

লাজুক ধরনের মানুষ বেশীর ভাগ সময়ই মনের কথা বলতে পারেনা।
মনের কথা হড়বড় করে বলতে পারে শুধু মাত্র পাগলরাই।
পাগলরা মনে হয় সেই কারণেই সুখী।

45

প্রথম শ্রেণীর চামচা হচ্ছে যারা স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে চামচার ভাব ধরে থাকে।
আর তৃতীয় শ্রেণীর চামচা হচ্ছে তারাই যাদের জন্মই হয়েছে চামচা হিসোবে