অনেক পরিশ্রমের পর
অনেক পরিশ্রমের পর

সবেমাত্র HSC লেভেল শেষ করলাম।অনেক পরিশ্রমের পর রাজশাহীতে Law বিষয়ে পড়ার সুযোগ পেলাম। আর কয়েকদিন পরই চলে যাবো রাজশাহীতে। বাবা-মা,ভাই-বোন সহ সবাই খুব খুশি।কিন্তু একজনের মনের


ভেতর যে সাইক্লোন বয়ে যাচ্ছে সেটা অামি ঠিকি বুঝতে পারছি।অাপনারা হয়তো বুঝে গেছেন সে কে। সে অার কেউ না অামার পাগলী অবনি।সবেমাত্র HSC প্রথম বর্ষে পড়ে।অামাকে অনেক ভালোবাসে।অামি কি অার কম ভালোবাসি পাগলীটাকে।
অাপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে পাগলীর ফোন চলে আসছে,রিসিভ করে কথা বলি নাহলে কেঁদে কেঁদে চোখ লাল করে ফেলবে
আমি:হ্যালো বাবুটা কেমন অাছ?
অবনি:,,,,,,,,
আমি:বাবু কি ব্যাপার কথা বলোনা কেন? তুমি ঠিক অাছো তো?
অবনি: হ্যা আমি ঠিক আছি, কেনো ঠিক থাকবোনা।
আমি: অবনি তোমার কথাগুলো এমন শোনাচ্ছে কেনো?(জানি আমি চলে যাবো তাই হয়তো পাগলীটার মন খারাপ)
অবনি:এখন কয়টা বাজে?
আমি:দুপুর 2টা কেনো বাবু।
অবনি: আমার সাথে বিকেল 5টায় নদীর পাড়ে দেখা করতে পারবা?
আমি:হ্যা অবশ্যই।
অবনি:মনে থাকে যেনো bye.
আমি:আচ্ছা বাবুটা bye.
“জানি পাগলীটার মন অনেক খারাপ। ভীষণ ভালোবাসে অামাকে।ওর পাগলামির কোনো শেষ ছিলোনা। কিন্তু দুইদিন ধরে কেমন মনমরা হয়ে গেছে।আচ্ছা চলেন 2.5 বছর পিছনে ফিরে যাই দেখে নিই কিভাবে পাগলীটা অামার জিবনে এসেছিলো ”
” সময়টা ছিলো নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি (অামি,অারমান,রিসান,সাইদ,সিফাত
,ফরহাদ,নাইম,আলমগির,আমরা এই কয়জন জিগরি বন্ধু একসাথে Biology পড়তাম মো;তৌহিদুন নবি স্যারের কাছে)।ওই স্যারের মতো বন্ধুসুলভ স্যার অার কোনোদিন পাবো কিনা জানিনা, হয়তো পাবোনা কোনোদিন।স্যার অামাদের সাথে খুব ফ্রি ছিলেন। আর মজার ব্যাপার হলো স্যারের বাসায় তিনি একাই থাকতেন, তাই আমরা মাস্তি করতাম বেশি বেশি।আচ্ছা এই নিয়ে নাহয় অাপনাদের অারেকটা গল্প দিবো। যাই হোক অামাদের ব্যাচ এর আগে আর একটা ব্যাচ পড়তো তাই আমরা স্যারের বাসার সামনে দাড়িয়ে থাকতাম। আর স্যারের বাসার সামনের রাস্তাটা ছিলো মহিলা কলেজ রোড। তাই আমার সব লুচু বন্ধুরা মেয়ে দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকতো।অামি ছিলাম খুব লাজুক ছেলে তাই আমি সবসময় মেয়ে দেখা থেকে বিরত থাকতাম।,,, কথায় আছে না সংগ দোষে লোহা ভাসে,অামার বেলায়ও সেটার ব্যতিক্রম ঘটেনি। অামি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছিলাম একটা মেয়ে অামাদের প্রাইভেটের সময় স্কুল থেকে বাসায় ফেরে তার এক বান্ধবির সাথে। মেয়েটার চলা-ফেরা,নম্রতা-ভদ্রতা অামাকে অবাক করেছিলো,আর মেয়েটা ছিলো একদম পরীর মতো।কিন্তু আমি কখনো আবেগকে পশ্রয় দিতাম না।স্যার বলেছিলো তোরা যারা প্রেম করিস তারা সবাই ধুতুরার রস খাওয়া।আমি ভাই প্রেম ভালোবাসার ধারের কাছেও ছিলাম না,তাই বাকি বন্ধুদের উঠতে বসতে কটাক্ষ করতাম।তাদের মধ্যে আরমান & সিফাত ছিলো অন্যতম। সত্যি দোস্ত এখনও তোদের অনেক মিস করি। যাই হোক ওই ভদ্র মেয়েটিকে একদিন পরপর দেখা পেতাম। একদিন আচমকা মেয়েটা
অামাকে ডেকে বসলো
মেয়েটি:এই যে ভাইয়া এইদিক আসেন তো একটু,,